পার্থ বলেন, ‘আমরা সবাই আমাদের জায়গা থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছি এবং ছোট ছোট পরামর্শ দিয়েছি। নির্বাচন কবে হবে, সে বিষয়ে আমরা তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত চাই। আমরা বলেছি, আগে স্থানীয় নির্বাচন চাই না, কারণ স্থানীয় নির্বাচন হলে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রাউন্ড রিয়েলিটি ভিন্ন। বাস্তব পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে অনেকেই মানে না, মেনেও নেবে না। আমরা চাই, কোনোভাবেই সন্ত্রাস যেন না হয় এবং স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। জাতীয় নির্বাচন যেন কোনও সংস্কারের কারণে বিলম্বিত না হয়। তবে কিছু রাজনৈতিক দল মনে করছে, আগে স্থানীয় নির্বাচন হলে ভালো হবে। এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা চলছে।’
বৈঠকে বিশেষ কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কমিশনের সাধারণ আলোচনা হয়েছে। আগামীতে ধারাবাহিক বৈঠক হবে। সেখান থেকে ভালো কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে পার্থ বলেন, ‘আমরা সন্তুষ্ট। আমরা সরকারের পাশে আছি। যেখানে ভুল হচ্ছে, সেখানে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোনও সরকার আসেনি, যেখানে সব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল ও জাতিসংঘ এই সরকারের পাশে আছে। তাই আমি মনে করি, এটি জনগণের সরকার।’






