অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের উদ্দেশে দুদু বলেন, ‘উদ্দেশ্য সৎ থাকলে বিএনপির ৩১ দফা পড়তেন। তা না করে শুধু সংস্কার সংস্কার করেন। একজন শুধু উন্নয়ন উন্নয়ন করেছে। আর আপনারা শুধু সংস্কার সংস্কার করছেন। এগুলো বাদ দিতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর শেখ মুজিবুর রহমান ব্যর্থ হয়েছিলেন একটি ভালো নির্বাচন দিতে। যে কারণে ৭৩ সাল থেকে সংকট শুরু হয়েছিল। সে সংকট কাটিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। এরপরে সংকট কাটিয়েছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এবার সংকট কাটাবেন তারেক রহমান।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিএনপি কর্মসূচি দিয়েছে, প্রয়োজন পড়লে তারা রাজপথে নামবে। মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করবে। ঐক্যবদ্ধ ছাড়া আমাদের মুক্তির কোনও পথ নেই।’আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব হুমায়ূন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন— বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিরুল ইসলাম কাগজী, জাসাস সাবেক সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী প্রমুখ।






