তিনি বলেন, আজকে বিনা বাধায় আমরা ইফতার কর্মসূচি পালন করতে পেরেছি। ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে এটি আমাদের প্রথম বিজয়। ইনশাল্লাহ এখন থেকে আমরা নিয়মিত হত্যা, ধর্ষণ ও অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। জাতীয় পার্টি সব সময় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই একটি পক্ষ আমাদের ফ্যাসীবাদের দোসর বলে আখ্যায়িত করছে। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতেই আমরা সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছি।
এসময় মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমরা একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। অথচ আমরা কোনও কর্মসূচি দিলে অন্য কোনও রাজনৈতিক দল বাধা দেয়। আর প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয় না। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।চুন্নু বলেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচন চায় জামায়াত ও চরমোনাইসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। যা এরশাদের পক্ষ থেকে ৩০ বছর আগেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের বিভিন্ন অবদান স্মরণ করেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন— জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খলিলুর রহমান খলিল। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— দেলোয়ার জালালী ও লিয়াকত হোসেন খোকাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের নিয়ে কেক কেটে এরশাদের জন্মদিন উদযাপন করেন জিএম কাদের।






