সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

আমার মুখ বন্ধ করতেই দুর্নীতির অভিযোগ: জিএম কাদের

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করায়, মুখ বন্ধ করতেই আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হত্যা মামলা করা হয়েছে। যেমনটি ঘটেছিল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ক্ষেত্রেও। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আবারও ঘুরে দাঁড়াবে জাতীয় পার্টি।বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) কাকরাইলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মদিন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সবুর আসুদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

তিনি বলেন, আজকে বিনা বাধায় আমরা ইফতার কর্মসূচি পালন করতে পেরেছি। ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে এটি আমাদের প্রথম বিজয়। ইনশাল্লাহ এখন থেকে আমরা নিয়মিত হত্যা, ধর্ষণ ও অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। জাতীয় পার্টি সব সময় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এ সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই একটি পক্ষ আমাদের ফ্যাসীবাদের দোসর বলে আখ্যায়িত করছে। অথচ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরুতেই আমরা সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছি।

দেশে আবারও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারকে আমরা বিভিন্নভাবে অভিযুক্ত করলেও তারা শক্ত হাতে জঙ্গিবাদ দমন করতে পেরেছে। এটা সবাই স্বীকার করতে বাধ্য। আইএসসহ ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী ফ্যাসীবাদের বিপক্ষে ছিল। এখনও তারা ফ্যাসীবাদের বিপক্ষে। তাহলে সরকারের কথায় যদি এরা ফ্যাসীবাদের বিপক্ষ শক্তি হয়, তাহলে এরাও কী দেশপ্রেমিক? তাদের কথায় এ ধরনের মনোভাব ওঠে আসে।

এসময় মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, আমরা একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। অথচ আমরা কোনও কর্মসূচি দিলে অন্য কোনও রাজনৈতিক দল বাধা দেয়। আর প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয় না। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।চুন্নু বলেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচন চায় জামায়াত ও চরমোনাইসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। যা এরশাদের পক্ষ থেকে ৩০ বছর আগেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের বিভিন্ন অবদান স্মরণ করেন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন— জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খলিলুর রহমান খলিল। ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— দেলোয়ার জালালী ও লিয়াকত হোসেন খোকাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের নিয়ে কেক কেটে এরশাদের জন্মদিন উদযাপন করেন জিএম কাদের।


এই বিভাগের আরো খবর