শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

জাতি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে আছে : ডা. শফিকুর রহমান

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তিনি বলেন, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার রাস্তা একটাই। আর তা হচ্ছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নকশা কদম অনুসরণ। পায়ে পায়ে, অক্ষরে অক্ষরে তাকে অনুসরণ করে চলা।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে অনুসরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শিশুকে যদি প্রশ্ন করা হয় বা একজন শিশু যদি প্রশ্ন করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তার উত্তর হচ্ছে মা আমিনা এবং হালিমাতুস সাদিয়া রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার শিশুপুত্র মোহাম্মদ হচ্ছে তোমার অনুসরণীয়।

কিশোর বয়সের উদাহরণ তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এরপরে যদি একজন কিশোরকে জিজ্ঞেস করা হয় বা কিশোর যদি জিজ্ঞেস করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তাহলে মক্কার সেই শান্ত, সৌম, বুদ্ধিদীপ্ত, দায়িত্বশীল কিশোর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কথাটা এখানে এসে যাবে।

তিনি বলেন, কাবাঘর মেরামতের পর পাথর, কালো পাথর, হাজরে আসওয়াদ এটা প্রতিস্থাপন নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছিল, সেখানে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আশঙ্কা চারটা কবিলার মধ্যে দেখা দিয়েছিল। তার নিখুঁত সমাধান ইনসাফপূর্ণ সমাধান দিয়েছিলেন সেই কিশোর মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ।

মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি জন্মগতভাবেই তিনি এতিম ছিলেন। জন্মের আগেই পিতা তিনি তার মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন আর ছয় বছরের মাথায় মাকেও হারিয়েছিলেন। আট বছরের মাথায় দাদাকে হারিয়েছিলেন। এভাবে জীবনে একটার পর একটা ধাক্কা তার জীবনে এসেছিল।

তিনি আরও বলেন, একজন ব্যবসায়ী, একজন দার্শনিক, একজন চিন্তাবিদ, একজন সমন্বয়ক, একজন প্রধান বিচারপতি যে ক্ষেত্রেই জীবনের প্রশ্ন আসবে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? নিঃসন্দেহে তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম।

প্রতিযোগীদের অভিনন্দন জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, আজকের প্রতিযোগী যারা তারা এই চর্চার মাধ্যমে আমি মনে করি তাদের হৃদয় কাল আলোকিত হয়েছে। তারা জানার সুযোগ পেয়েছে। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কত বড় নেয়ামত মানবজাতির জন্য কত নিখুঁত আদর্শ বিশ্ববাসীর জন্য। আমি বিশ্বাস করি, পুরস্কার লাভের আশায় তারা এটা করেনি। তারা হেদায়েতের পুরস্কার পাওয়ার আশায় এটা করেছে।

হেদায়েতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, হেদায়েত মানে হচ্ছে সঠিক পথ প্রদর্শন। নিজের জন্য দোয়া করে না। রাগ করে আরেকজনের জন্য দোয়া করে। এবং এত বড় একটি দোয়াকে মানুষ বদদোয়া মনে করে। কী আশ্চর্য ব্যাপার। হেদায়েত কামনা হচ্ছে সঠিক পথটা পাওয়ার দোয়া আল্লাহ তাালার দরবারে।


এই বিভাগের আরো খবর