গণ-অধিকার পরিষদের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা চাই আগামীর বাংলাদেশ গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় গড়ে উঠবে। আগামীর বাংলাদেশে হানাহানি, মারামারি ও বিভাজন থাকবে না। আমরা সবাই চাচ্ছি যে, নির্বাচন যথাসময় হোক। রাজনৈতিক নেতাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে। এই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-যুবক-তরুণরা আন্দোলন করেছেন। তারা আহত হয়েছেন, গ্রেপ্তারও হয়েছেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদেরও কিন্তু প্রথম গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গণহত্যার বিচারের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে নুর বলেন, যদি নির্বাচন বিলম্বিত হয়, নির্বাচন নিয়ে যদি কোনো সংকট তৈরি হয় আমাদের রাজনীতিকদের জন্যই কিন্তু বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। কাজেই আমাদের প্রাণের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা এবং নির্বাচন। গণহত্যার বিচার চলছে এবং এই যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের যে প্রসিকিউশন টিম তাদের কার্যক্রমে আমরা খুশি।