হামলার ক্ষয়ক্ষতি
হতাহতের সংখ্যা
প্রাথমিকভাবে, ভারতের হামলায় আটজন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল পাকিস্তান। তবে বুধবার ভোরে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, হামলায় অন্তত ২৬ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন বলে তাদের কাছে সর্বশেষ তথ্য এসেছে।এদিকে ভারত দাবি করছে, নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তানি সেনাদের গোলাগুলি এবং শেল বর্ষণে অন্তত সাত জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
ছাড় পায়নি আকাশপথ
হামলার পর নিরাপত্তার আশঙ্কায় উত্তর ভারতের একাধিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। এদিকে, ইন্ডিগো এবং স্পাইসজেট এয়ারলাইন্স তাদের বহু ফ্লাইট বাতিল করেছে।এয়ার ইন্ডিয়া তাদের দুটি ফ্লাইটের গতিপথ পরিবর্তন (ডাইভার্সন বা রি-রাউটিং) করেছে। সাময়িকভাবে পাকিস্তানে ফ্লাইট স্থগিত করেছে কাতার এয়ারওয়েজ।
এদিকে, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স জানায়, আকাশে থাকা ফ্লাইটগুলো করাচিতে ঘুরিয়ে আনা হয়েছে এবং মাটিতে থাকা বিমানগুলোর যাত্রা স্থগিত রাখা হয়েছে।
সাধারণ জনগণের অবস্থা কী?
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। সেখানকার হাসপাতাল ও নিরাপত্তা বাহিনীকে বাড়তি সতর্ক থাকতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে বিস্ফোরণের পর কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের বহু স্কুল বুধবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স






