ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি চাইলে দেশের জন্য অনেক ভালো কিছু করতে পারেন। কিন্তু আপনার ভুলের কারণে দেশের জনগণ বিপদে পড়তে পারে। আপনি তো মুখ মুছে বিদেশে চলে যাবেন। যাদেরকে বিদেশ থেকে নিয়ে এসে উপদেষ্টা বানিয়েছেন, তারাও বিদেশে চলে যাবে। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমাদের দেশে থাকতে হবে। এই সাধারণ জনগণের দেশে থাকাটা অনিরাপদ করবেন না। আমাদেরকে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলে দেবেন না।
সরকারের উদ্দেশে রিপন আরও বলেন, স্টারলিংক বাংলাদেশে আনতে চাচ্ছেন ভালো কথা। কিন্তু বাংলাদেশে কোনও কোম্পানির মাধ্যমে আনতে হবে। সরকারি কোম্পানির টেলিটক আছে তাদের মাধ্যমে আনতে পারেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণফোন আছে তাদের মাধ্যমে আনতে পারেন। কিন্তু সরাসরি স্টার লিংককে এদেশে আনতে দেওয়া যাবে না। আমাদের দ্রুত গতির ইন্টারনেট দরকার তবে দেশ বিক্রি করে নয়। স্টারলিংক সরাসরি ব্যবসা করলে এ দেশ থেকে কোন তথ্য নিয়ে যাবে, কোথায় কোন উসকানি দেবে, এটা কিন্তু আমরা জানি না। তাই স্টারলিংককে এককভাবে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। তাই চুক্তি সংশোধন করুন।
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— সাবেক সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন, জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনসহ প্রমুখ।






