মোক্তার বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছে। সামগ্রিকভাবে, সবকিছু বিবেচনা করে এবং আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা আদায়ের স্বার্থে আমরা আমাদের তিন দিনের কর্মসূচি আপাতত স্থগিত ঘোষণা করছি। যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশাসন আমাদের দাবি না মানে, আগামীতে আমরা লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করবো। এবং যতক্ষণ না আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার আদায় হবে, পানি, বিদ্যুৎ ও পরীক্ষা সবকিছু আমরা বন্ধ করে দেবো। আজ (রবিবার) দুপুরের খাবার বিরতির পর থেকে আপনারা (আন্দোলনকারীরা) নিজ নিজ কার্যক্রমে ফিরে যাবেন।’
আন্দোলনে বিএনপিপন্থি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। এতে মৌন সমর্থন রয়েছে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদেরও। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন– বিএনপিপন্থি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ও অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলিম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আমীরুল ইসলাম, শাখা জামায়াতের সেক্রেটারি ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আহসান, অফিসার সমিতির বিএনপিপন্থি সভাপতি মোক্তার হোসেন ও জামায়াতপন্থি কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা।







