জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন, অনেক বেওয়ারিশ লাশও রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তাদের ডিএনএ স্যাম্পল কালেকশন করা হয়েছে। শিগগিরই তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা আমাদের ভাইদের পরিচয় হয়তো শনাক্ত করলাম, সেটা একটা বিষয়।… কিন্তু খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনও মানুষ, কোনও রাজনৈতিক দল যেন অন্য কোনও বিষয় নিয়ে এই বাংলাদেশে কথা না বলে। আগে খুনি হাসিনার বিচার হতে হবে, তারপর বাংলাদেশ অন্য কিছু চিন্তা করবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যদি এই খুনি হাসিনার বিচার দৃশ্যমান করে যেতে না পারে, তাহলে সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের দুই উপদেষ্টা সারা জীবন এই দায় বয়ে বেড়াবেন উল্লেখ করে সারজিস বলেন, ‘এই দায় বহন করার মধ্যে সবশেষ না। এই বিচার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যারা জুলাইয়ে রাজপথে ছিলাম, আমার যে ভাইয়েরা রাজপথে জীবন দিয়েছে, যে মায়েদের চোখ দিয়ে এখনও কান্না ঝরছে, পানি পড়ছে; আমরা যেন মরার আগে অন্তত খুনি হাসিনার বিচারটা দেখে মরতে পারি।’
কবর জিয়ারত ও দোয়ার সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদসহ নতুন দলটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।






