তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এটি যে নেতিবাচকভাবে আসবে তা আমরা জানি। সরকারের পদক্ষেপের বিষয়টি হচ্ছে—সেখানে সেনাবাহিনী উপস্থিত হয়েছিল এবং তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, যাতে বাড়াবাড়ি না হয়। যখন শুরু হয়ে গেছে, তখন সম্পূর্ণ থামাতে পারেনি। তবে এটি যাতে ছড়িয়ে না পড়ে বা আর যাতে ক্ষতি না হয়, সেটি তারা (সেনাবাহিনী) নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে।’
বিদেশিরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে কী বলবেন, সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রথম কয়েক দিনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পর আস্তে আস্তে সবকিছু স্থিতিশীল হয়ে আসছিল। একটি জিনিস খেয়াল করবেন, এ ধরনের ঘটনা তখনও ঘটতে পারতো, ঘটেনি। কিন্তু এখনকার অবস্থান হচ্ছে—শেখ হাসিনা ভারতে থেকে যেসব বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছেন, সেটি ছাত্র-জনতা ভালোভাবে নেয়নি। তিনি (হাসিনা) অবিরাম উসকে দিচ্ছেন। তারই ফলশ্রুতিতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের বিশ্বাস। তিনি এ ধরনের ঘটনা থেকে যদি বিরত থাকতেন, তাহলে এরকম ঘটনা হয়তো ঘটতো না।’






