তিনি আরও বলেন, ‘তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এককভাবে সরকার গঠন করবো না। এক ব্যক্তির শাসনে ফ্যাসিবাদ, কর্তৃত্ববাদ সৃষ্টি হয়েছে। এখান থেকে বের হয়ে যেতে হবে। যার কারণে তারেক রহমান দেশে নতুন করে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের কথা বলেছেন। এতে সাধারণ সদস্য নিচের কক্ষে এবং ওপরের কক্ষে থাকবে শ্রেণিভিত্তিক। যার মাধ্যমে পাওয়ার ব্যালেন্স থাকবে। এ পাওয়ার ব্যালেন্সের নতুন উদ্ভাবনা দেশে তারেক রহমান নিয়ে এসেছেন।’
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য আছেন। তিনি অসুস্থ ছিলেন না, হাসিনা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার জন্য সে প্রক্রিয়াতে গেছেন। কিন্তু হাসিনা উড়াল দিয়ে চলে গেছে। আর খালেদা জিয়া ওনার জায়গায় আছেন। মানুষের কাছে খালেদা জিয়ার সম্মানিত হয়েছেন।’বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘হাসিনা নাকি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার বাবা অনেক পুরনো রাজনীতিবিদ। হাসিনা গত ১৭ বছর প্রকৃত রাজনীতি করেননি। স্বাধীনতার পরও তার বাবা প্রকৃত রাজনীতি করেননি। আমরা রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার দেখেছি। গত ১৭ বছর মানুষ রক্ষীবাহিনীর চেয়েও থেকে নির্যাতন-অবিচার দেখেছে।’
সমাবেশে ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. খালেদ হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. রবিউল হাসান পলাশ।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুব আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি এম এ হাশেমসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।






