সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শ্বাসপ্রশ্বাস মন্তব্য করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণমাধ্যম যেন জনগণের পক্ষে কথা বলতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে—এই ন্যায্য জায়গা রুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। একটা সময় সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করে, ভয় দেখিয়ে, মামলা দিয়ে সত্য ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। আমরা এটা মানি নাই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে আমরা রাজপথে আছি, থাকবো।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আমরা স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারকে বিদায় দিয়েছিলাম। তখন আপোষ করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
পাবনাকে উত্তরবঙ্গের প্রতিরোধের প্রতীক উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, এখানকার ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন। এই ভূমিকার ঐতিহাসিক মূল্য পাবনা অবশ্যই পাবে।সভা শেষে এনসিপি নেতারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে পরের দিন কুষ্টিয়া ও আশপাশের জেলাগুলোতে পথসভা করার কথা রয়েছে।






