আমিনুল হক বলেন, “বিএনপি কোনও চাঁদাবাজ, দখলদার, লুটতরাজ ও মব সৃষ্টিকারীকে প্রশ্রয় দেয় না। যারা এমন কাজে জড়িত, তারা বিএনপির কর্মী হতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছর যা করেছে, বিএনপি তা করবে না। বিএনপি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া একটি গণতান্ত্রিক দল। আমাদের দলের প্রতিটি নেতাকর্মী জুলুম-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে পরীক্ষিত ও সুসংগঠিত।” আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই ঘোষণায় একটি দলের গায়ে জ্বালা ধরে গেছে। তারা নির্বাচন পেছাতে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।”
সদস্য নবায়ন কর্মসূচি প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, “আওয়ামী দোসর কিংবা স্বৈরাচারের দালালরা যদি সদস্য হয়ে যায়, তবে তার দায় নিতে হবে সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত সংগঠককে। আমরা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা পরীক্ষিত নেতাকর্মীদেরই মূল্যায়ন করবো।”
তৃণমূলে ভালো, যোগ্য ও নৈতিকভাবে দৃঢ় মানুষের প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সামনের দিনগুলোতে বিএনপির তৃণমূলকে আরও সুসংগঠিত করতে ভালো মানুষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দারুস সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএ সিদ্দিক সাজু এবং আদাবর থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সাদেক হোসেন স্বাধীন।






