ইশরাক লিখেছেন, ‘গণতান্ত্রিক ভাষা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে, যৌক্তিক কারণেই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ, এটি প্রতীয়মান যে, আপনারা কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং ভবিষ্যতে সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত হবেন কিংবা নির্বাচনে অংশ নেবেন।’
এ সময় ইশরাক নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমাকে অনেকে সমালোচনা করছেন, আন্দোলনের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, জনগণকে বোঝানো প্রয়োজন ছিল যে, আপনাদের ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা যৌথ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফসল—এটা বুঝতে রাজনৈতিক সচেতনতা লাগে না।’
এদিকে, ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে গত ছয় দিন ধরে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আজ বুধবার (২১ মে) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এর মধ্যে সমাধান না এলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদেশের জন্য দিন ধার্য হয়েছে আজ বুধবার। বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে শুনানি শেষে এ আদেশের দিন নির্ধারণ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে পরাজিত হন বিএনপির ইশরাক হোসেন। তবে গত ২৭ মার্চ একটি নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল তাপসের জয় বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করে। এরপর গত ২৭ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে।






