হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের যে ছাত্র সমাজ আছে তাদের উচিত লেখাপড়া শেষ করে নিজেদের শিক্ষিত করে তারপরে নিজের পেশায় আত্মনিয়োগ করা। রাজনীতি করার জন্য উন্মুক্ত দরজা আপনাদের আছে। সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন, তারপর রাজনীতি করুন। আপনারা আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্ট হোন। কিন্তু এখন বারবার তদবির করে, মবক্রেসি করে সচিবালয় হাজির হয় অটো পাসের দাবিতে হুমকি দেন, আপনাদের ডিগ্রিটা দেন; এটা আপনাদের জন্য সম্মানজনক নয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ ভালো লাগে না তাই সেকেন্ড রিপাবলিকের কথা আকাশে বাতাসে বলে বেড়াচ্ছে। ৭২-এর সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলছে। সংবিধান তো যেকোনও নির্বাচিত সরকারই পরিবর্তন করতে পারে। আমূল পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু একাত্তরের গন্ধ আছে, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল। এ জন্য একাত্তরের কোনও কিছুই এখানে অনেকের ভালো লাগে না।
মেজর হাফিজ বলেন, যার যতগুলো পিএইচডি ডিগ্রি থাকুক, কিন্তু জনগণের সম্মতি ছাড়া এখানে কোনও ধরনের যুদ্ধে বাংলাদেশকে লিপ্ত করা যাবে না। এখানে যা কিছু হবে, যা কিছু সংস্কার হবে— নির্বাচিত পার্লামেন্ট করবে। দ্রুত নির্বাচন দেন, এই দেশের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশের সব সংস্কার করবে।
প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশাহত করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ড. ইউনূস দেশের কৃতী সন্তান, দেশের গৌরব। আমরা তাকে সব রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছি, ভবিষ্যতেও দেবো। কিন্তু তিনি আমাদের আশাহত করেছেন। ফেব্রুয়ারি মাসের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একটি আলোচনায় তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) নিজেই বলেছেন ডিসেম্বর মাসের মধ্যে নির্বাচন হবে। দু-তিন দিন পরে এটা পরিবর্তন হয়ে গেলো। বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়!
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, এবি পার্টি সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ প্রমুখ।






