প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা আপনাকে নিয়ে অহংকার করি, সেই অহংকারকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবেন না। পাথরের ধাক্কা না খেলে নদী দিক পরিবর্তন করে না। তাই জনগণের রোষানলে পড়ার আগে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।নির্বাচন দিতে সরকার কিছুটা পিছপা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির এই সিনিয়র নেতা। দাবি তোলেন, ১৯৯১ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের মতো নির্বাচন দেওয়ার।
বক্তব্যে করিডোর ইস্যু নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির এই নেতা। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কড়া সমালোচনাও করেন তিনি।সংগঠনের সভাপতি মো. আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এ সময় ছিলেন– বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জামাল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, আমিনুল ইসলাম।






