জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এবং হুইপ জি কে গউছ, হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ভোটটা হবে সংসদের মধ্যে এবং বুথটা থাকবে-বুথ বলতে এটা বক্স থাকবে সংসদের মধ্যে। সংসদ সদস্যরা তাদের বিভক্তি অনুযায়ী, তাদের আসন নম্বর অনুযায়ী, জাতীয় নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন। ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে ৩৪৯টি ভোট দেওয়া হলে নির্ধারিত সময়ের আগে ফলাফল তৈরির প্রস্তুতি নেওয়া হবে। আর যদি দেখা যায় একটা ভোট বাকি আছে, তার জন্য আমরা ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করব। ৫টার পরে আমরা ফলাফল ঘোষণা করব।
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনটা হওয়া উচিত ছিল। যেহেতু গণভোটের রায়ও সংস্কারের পক্ষে এসেছে, তাই ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা যেত। তাহলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আরও বেশি সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য হত। নাহিদ বলেন, তারপরেও যেহেতু নির্বাচন হচ্ছে, এটাকে বিনা কনটেস্টে এইজন্য দিতে চাই না। আমরা সে কারণে বিরোধী দলের জায়গা থেকে সেখানে প্রার্থী দিয়েছি।
পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম দাবি করেন জুলাই সনদ অনুযায়ীও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় বিদ্যমান ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে। অবশ্যই জুলাই সনদ অনুযায়ী ৭০ অনুচ্ছেদে অর্থবিল ও আস্থাভোটে ছাড়া অন্য যে কোনো ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে মত দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিএনপি আরও দুটো বিষয় যোগ করার কথা বলেছিল। তা হল- সংবিধান সংশোধন ও জাতীয় নিরাপত্তা (যুদ্ধ পরিস্থিতি)। সেখানে রাষ্ট্রপতির বিষয়টি নেই। সনদ বাস্তবায়ন হলে গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন এমপিরা।
চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আমরা আজকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য এবং গণতন্ত্রকে বাস্তবায়নের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য। আমরা এরকম একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে চাই এবং স্বচ্ছ একটা প্রক্রিয়া, যাতে এদেশের মানুষ ভবিষ্যতে নির্বাচনমুখী হয়।







