সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে বোঝা-পড়ার সংবাদে রাজনৈতিক দলসহ জনগণের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি দেখা গেছে। সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মনস্তাত্ত্বিক দূরত্বও খানিকটা কমেছে বলে ধারণা করা যায়।
তিনি বলেন, গত একমাসে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিটাই অবান্তর। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বও নয়। গত ১৬ বছর দেশের মানুষ নিশ্চয় স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করেনি।
সাইফুল হক বলেন, বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোতে এখনও পর্যন্ত রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে পিআর পদ্ধতিতে ভোটের জন্য প্রস্তুত হতে পারেনি। এ কারণে এবার কেবল আমরা সংসদের উচ্চকক্ষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে আসছি।
জুলাই-আগস্ট ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২১ দিনের কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, পার্টির দুই শহীদ বদিউজ্জামাল ও আবদুল লতিফসহ গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রংপুরে তিন শহীদের কবরে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনসহ সারা দেশে শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সমাবেশ, ১৮ জুলাই ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে শহীদ পরিবারগুলো ও আহতদের নিয়ে ঢাকার আশুলিয়ায় শ্রমিক গণসমাবেশ, ২৫ জুলাই নারায়ণগঞ্জে গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারসহ গণসমাবেশ, ২ আগস্ট সকাল ১০টায় সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি- গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভা, ৫ আগস্ট ২০২৫ গণঅভ্যুত্থানের আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ অন্যান্য কর্মসূচি।তিনি জানান, এছাড়া গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তীতে পার্টির পোস্টার ও ‘ডাক দিয়ে যাই’ শীর্ষক স্মরণিকা প্রকাশিত হবে।
একইসঙ্গে তিনি গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, আহতদের উপযুক্ত চিকিৎসা এবং তাদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা দেওয়ার দাবি জানান।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, সাইফুল ইসলাম, ফিরোজ আলী, কেন্দ্রীয় সংগঠক বাবর চৌধুরী, জামিরুল রহমান ডালিম প্রমুখ।






