শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

নেসকো নিয়ে রাজশাহীতে নতুন লড়াই; মিনুর ঘোষণায় উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)-এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের আলোচনা ঘিরে কয়েক মাস ধরে চলা বিতর্ক এবার নতুন রাজনৈতিক মোড় নিয়েছে। ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, নেসকোর প্রধান কার্যালয় কোনোভাবেই রাজশাহী থেকে সরানো যাবে না। প্রয়োজন হলে তিনি নিজেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তাঁর এই ঘোষণার পর রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি ঘিরে রাজশাহীতে জনমত আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, নেসকো এখন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় রক্ষার প্রশ্ন নয়; এটি রাজশাহীর মর্যাদা, প্রশাসনিক গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব পালন করে আসছে নেসকো। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধান কার্যালয়টি বগুড়ায় স্থানান্তরের আলোচনা শুরু হয়। বগুড়ার শিবগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিষয়টি সামনে এনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান। তাঁর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়।

সে সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজশাহীতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন মানববন্ধন করে এবং রাজনৈতিক নেতারাও প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানান। স্থানীয়দের তীব্র প্রতিবাদের মুখে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম তখন জানান, আপাতত প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ থেকে সরে এসে তিনি বগুড়ায় একটি আঞ্চলিক অফিস স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর আবারও নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। গত ১৬ জুলাই মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে রাজশাহী থেকে প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়। চিঠির খবর প্রকাশ হওয়ার পর রাজশাহীর মানুষের মধ্যে ধারণা জন্ম নেয় যে, বিষয়টি এখনো নীরবে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বলেন, “রাজশাহীর মানুষ সারাদিন চিৎকার করে। অথচ পঞ্চগড় পর্যন্ত বিস্তৃত এই বিদ্যুৎ সার্ভিস। আপনাদের এত ব্যথা লাগে কেন? ব্যথা লাগাবেন না ভাই। হোক না বগুড়ায় হেড অফিস, আপনারা জোনাল অফিস নেন।” একই বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “যতই সমালোচনা করেন, পার্লামেন্টে বলেন বা বাইরে বলেন, আমিসহ বগুড়ার সাতজন এমপি বগুড়ার উন্নয়নের ব্যাপারে একবিন্দু ছাড় দিতে রাজি নই।”

প্রতিমন্ত্রীর এসব মন্তব্য রাজশাহীতে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও পেশাজীবী মহলে প্রশ্ন ওঠে, উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অন্য জেলায় সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী? তাঁর এই বক্তব্য রাজশাহীতে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজারো মানুষ এটিকে রাজশাহীর প্রতি অবমূল্যায়ন হিসেবে উল্লেখ করেন।

এই পরিস্থিতিতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, শুধু নেসকো নয়, রাজশাহীর কোনো প্রতিষ্ঠান এখান থেকে সরানোর সুযোগ নেই। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তিনি নিজেই আন্দোলনে নামবেন।

বক্তব্যের সময় তিনি অতীতের একটি ঘটনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৯২ সালে তিনি রাজশাহীর মেয়র থাকাকালে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় সদর দপ্তর চট্টগ্রামে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় তিনি অনশন, মিছিল ও আন্দোলনের মাধ্যমে সেই উদ্যোগ প্রতিহত করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, যেভাবে পশ্চিমাঞ্চল রেল রাজশাহী থেকে যেতে দেননি, ঠিক সেভাবেই নেসকোকেও যেতে দেবেন না।

মিনু আরও বলেন, তাঁর কাছে মন্ত্রিত্ব বা সংসদ সদস্যের পদ বড় নয়; রাজশাহীর স্বার্থই সবচেয়ে বড়। এই মাটিতেই তাঁর জন্ম, এই মাটিতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চান। তাই রাজশাহীর স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেবেন না। প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যের সময় উপস্থিত দর্শকরা করতালির মাধ্যমে সমর্থন জানান। পরে বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

ভূমিমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নেসকোর প্রধান কার্যালয় রক্ষার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিতে শুরু করেছেন। স্থানীয় বিএনপির নেতারাও প্রয়োজন হলে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি জামায়াত, এনসিপি এবং কয়েকটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ ইস্যুতে কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেসকো ইস্যু এখন কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়; এটি রাজশাহীর মানুষের আত্মমর্যাদা, আঞ্চলিক ভারসাম্য এবং উন্নয়নের প্রশ্নে রূপ নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় কোনো শহরে থাকলে সেই শহরের প্রশাসনিক গুরুত্ব, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং সরকারি কার্যক্রমের পরিধি বাড়ে। তাই নেসকোর প্রধান কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তরিত হলে রাজশাহীর দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে তাঁদের আশঙ্কা, একবার একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর সরিয়ে নেওয়ার নজির তৈরি হলে ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানও রাজশাহী থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হতে পারে।

এদিকে নেসকোর সদর দপ্তর রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রতিবাদ জানিয়ে এক ভিডিও বার্তায় রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত বলেন, রাজশাহীর মতো একটি প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী এবং শিক্ষা-সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ বিভাগীয় শহর থেকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তরের প্রস্তাব সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অগ্রহণযোগ্য এবং রাজশাহীর জনগণের প্রতি সুস্পষ্ট বৈষম্যের শামিল।

তিনি বলেন, রাজশাহী শুধু একটি বিভাগীয় শহর নয়; এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই, রাজশাহীর জনগণের ন্যায্য দাবি, ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখা হোক। অন্যথায় এটি রাজশাহীবাসীর সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। কোনো যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া প্রধান কার্যালয় সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ এই অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও স্বার্থের পরিপন্থী।”

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, রাজশাহী শিক্ষা, প্রশাসন ও আঞ্চলিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট, যৌক্তিক এবং উত্তরাঞ্চলের সুষম উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অবিলম্বে স্থানান্তরের প্রস্তাব বাতিল করে প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

নেসকোর প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তকে জনস্বার্থবিরোধী ও আত্মঘাতী আখ্যা দিয়ে রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এমাজউদ্দীন মণ্ডল বলেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী অঞ্চলের বিদ্যুৎসেবায় মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়বে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা বলেন, রাজশাহী একটি বিভাগীয় শহর। এই শহর থেকে নেসকোর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় সরিয়ে বগুড়ায় নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বগুড়ার একজন প্রতিমন্ত্রী ও দু-একজন সংসদ সদস্যের চাপে এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে রাজশাহীবাসী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এদিকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও সমালোচনা করেছে সংগঠনটি।

গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। এতে রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মো. আবুল কাসেম এবং সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদীর স্বাক্ষর রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেসকো প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিভাগীয় শহর হিসেবে রাজশাহী প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় এখানেই স্থাপন করা হয়েছিল। নেসকোর কার্যক্রম রাজশাহীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, কর্মসংস্থান ও প্রশাসনিক গুরুত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত বলেও উল্লেখ করা হয়।

আইনজীবী সমিতির দাবি, প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্র থেকে নেসকোর প্রধান কার্যালয় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ রাজশাহীবাসীর ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থের পরিপন্থী। এতে রাজশাহীর প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরাও মনে করছেন, নেসকো ইস্যু এখন রাজশাহীর রাজনীতিতে বড় একটি পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর ঠেকাতে ব্যর্থ হলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে জনগণের কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে। অন্যদিকে রাজশাহীর স্বার্থ রক্ষায় দৃশ্যমান ভূমিকা রাখতে পারলে তা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ফলে নেসকোর প্রধান কার্যালয় ঘিরে শুরু হওয়া এই বিতর্ক এখন শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রাজশাহীর মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং উন্নয়নের প্রতীকী লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। এখন সবার দৃষ্টি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—নেসকো ইস্যুতে রাজশাহীতে জনমত আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সংগঠিত এবং প্রয়োজন হলে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকেও যেতে প্রস্তুত।##


এই বিভাগের আরো খবর