৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর থেকে ভারতের প্রশাসন, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, মিডিয়াসহ প্রায় সবাই বাংলোদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা শুরু করে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ফোনালাপ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে বৈঠক, ডিসেম্বরে দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চাওয়া হচ্ছে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ। অন্যদিকে সম্প্রতি ভারতের সামরিক বাহিনীর প্রধান বলেছেন, ‘রাজনৈতিক সরকার না আসা পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ স্বাভাবিক পর্যায়ে যাবে না।’
দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিরোধ থাকতে পারে এবং এটাই স্বাভাবিক জানিয়ে তিনি বলেন, ’নিকট প্রতিবেশীর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সম্পর্ক এগিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা করা ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই।’পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানানো হবে। দ্বিপক্ষীয় কিছু জরুরি বিষয় ও সীমান্ত উত্তেজনা নিরসনের বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে পারে।’২০২৬ সালে গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে এবং সেটি নবায়নের তাগিদ দেওয়া হতে পারে। এছাড়া তিস্তা নদী বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে কথা হতে পারে বলে তিনি জানান।






