নজরুল ইসলাম খান বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা কিছু সংস্কারের প্রয়োজন, তা সম্পন্ন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। নির্বাচনের জন্য কিছুটা সময় লাগবেই- উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তবে আমরা মনে করি না প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে নির্বাচন করতে বেশি সময় লাগবে।’আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।
বিএনপি’র লিয়াজো কমিটির প্রধান বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আমরা আলোচনা করছি। আজকে আমরা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এ দলটি চারদলীয় জোটের অংশ ছিল। বহু বছর আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদী আন্দোলনে তারা সংযুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক আন্দোলন তারা যুক্ত ছিলেন। ’তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। দেশের বিদ্যমান আর্থসামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেক বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি, অনেক বিষয়েই আমাদের মধ্যে মতের কোন তফাৎ নেই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, আমরা মনে করি দেশের গণতান্ত্রিক শক্তি দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে, তাতে দ্বিমতের মতের কোন কারণ নেই। যুগপৎ আন্দোলন শুধু সরকার বিরোধী আন্দোলন এমন নয়। যুগপৎ আন্দোলন যেকোনো আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমরা এক সঙ্গে করতে পারি।
বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি গোলাম মুহিউদ্দিন ইকরাম, নির্বাহী সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহিম ইসলামাবাদী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শায়খুল হাদীস আল্লামা শেখ মজিবুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা শহীদুল ইসলাম, জামাল নাসের চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা রশিদ বীন ওয়াক্কাস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকির হোসাইন খান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে ঘন্টাব্যাপী বৈঠক করেন বিএনপির নেতারা। বৈঠকে ১২ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে মোস্তফা জামাল হায়দার, শাহদাত হোসেন সেলিম, নুরুল আমিন বেপারী, ফারুক রহমান, সৈয়দ এহসানুল হুদা, রাশেদ প্রধান, শামসুদ্দিন পারভেজ, আব্দুর করিম এবং আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।