সভায় কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির পূর্বানুমোদনের জন্য উপস্থাপিত পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ধোপাতিতা মৌজায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনায় পন্টুন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ১. ৪৪ একর জমি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য মাদারবাড়ী মৌজায় ০.১৮১ একর জমি, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাস-ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণে ১৩.৩৩ একর, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সংযোগ সড়ক প্রশস্তকরণ, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পে ৫.৬৮৮১ একর এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার কালুরঘাট এলাকায় পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ৭৪.১১ একর জমি।
এ ছাড়া জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন জেলার ৫০ বিঘার বেশি জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত ১৪টি প্রস্তাবেরও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া জাইকার অর্থায়নে দক্ষিণ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন (এসসিআরডি) প্রকল্প, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প, সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক উন্নয়ন, দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-গুনদুম রেললাইন নির্মাণ এবং ঢাকা-কাঁচপুর-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণেরও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব অনুমোদনের মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ, শিক্ষা, বন্দর, নগর ব্যবস্থাপনা এবং জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন আরো গতিশীল হবে। ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা এবং জনগণের যেন কোনো অসন্তোষ না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশ যেন ঠিক থাকে। কৃষি জমির যেন ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।