এসটিএফ সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখতেন হামিম। শুভেন্দু যে রাস্তা ধরে নিউটাউনের ফ্যাটে ফিরতেন, সেই সমস্ত রাস্তায় তিনি রেকি করেছিলেন বলেও ওই সূত্রটির দাবি। টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখা গিয়েছে জইশের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন হামিম। হামিমের নাম-পরিচয় এবং জঙ্গি-যোগ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাতে নিউটাউন এবং বর্ধমানে যাঁরা হামিমকে ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েছিলেন, তাঁদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃত হামিমের বাবা মনিরুদ্দিনের মূল বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামে হলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাওড়ার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, সেখানেই তাঁর ব্যবসা। ছোট থেকে হাওড়ায় অবাঙালি পাড়ায় থাকার সুবাদে হামিম এবং তাঁর বাকি দুই ভাই-বোনের কথাতেও রয়েছে হিন্দি বা উর্দুর টান।
মনিরুদ্দিনের ভাই দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমানের নবাবহাট মোড়ের কাছে রেনেসাঁ আবাসনে থাকেন। এপ্রিল মাসে হাওড়ার পাট চুকিয়ে বর্ধমানে থাকার সিদ্ধান্ত নেন মনিরুদ্দিন। তখন ভাইয়ের সাহায্যে এক দালালের মাধ্যমে ওই আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সপরিবারে থাকা শুরু করেন হামিমের বাবা মনিরুদ্দিন। ফ্ল্যাটের মালিক একতা মেহরা দিল্লিতে থাকেন। তাঁর এক ভাই এখানে ফ্ল্যাট দেখাশোনা করেন। তিনিই মনিরুদ্দিনকে ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেন। আবাসনের বাসিন্দারা হামিম সম্পর্কে সন্দেহজনক কিছু দেখেননি বলেই দাবি করেছেন। তবে হামিম আবাসনের অন্য যুবকদের সঙ্গে নিয়মিত আবাসনের জিমখানায় ব্যায়াম করতেন। পুলিশ সিসি ক্যামেরার বেশ কিছু ফুটেজও উদ্ধার করেছে, যেখানে হামিমকে শরীরচর্চা করতে দেখা যাচ্ছে।