‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে কমিটির নবম প্রতিবেদনে থাকা পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ শীর্ষক প্রতিবেদনটি বৃহস্পতিবার লোকসভায় পেশ করা হয়। কমিটি জানিয়েছে, আদালত শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর বাংলাদেশ সরকারের প্রত্যর্পণের অনুরোধটি তারা আমলে নিয়েছে। বিষয়টির পর্যালোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে কেন্দ্র সরকারকে তাদের অবহিত রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।
কমিটি জানিয়েছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান দেশটির ‘সভ্যতার আদর্শ এবং গুরুতর দুর্দশা বা অস্তিত্বের সংকটের সম্মুখীন ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার মানবিক ঐতিহ্যের’ আওতায় বিবেচনা করা হয়েছে।
কমিটি আরও সুপারিশ করেছে, সরকার যেন তার ‘নীতিগত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি’ অব্যাহত রাখে। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতি যথাযথ সংবেদনশীলতার সঙ্গে এবং ভারতের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মোকাবিলা করা নিশ্চিত করে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। তার ক্ষমতাচ্যুতির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে।







