তিনি আরও বলেন, ছাত্রজনতা তথা রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানের জনগণের আকাঙ্ক্ষা ছিল দ্রুত দেশে সুষ্ঠু ও অবাধ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পাবে, গণতন্ত্র ফিরে পাবে। বাক স্বাধীনতা ফিরে পাবে কিন্তু আমরা আজ তার উল্টোটা দেখছি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে। ফ্যাসিবাদের দোসররা নামে-বেনামে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য এবং নির্বাচন বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাই যত দ্রুত জাতীয় নির্বাচন হবে জাতির জন্য মঙ্গল।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। কারণ দেশ স্বাধীনের পরে আজও দেশের গণতন্ত্র, জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে তারা ছিনিমিনি করছে। অবিলম্বে ৭১ এর ভুলের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এবং কালাম ফয়েজী সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সংবাদপত্র এডিটর অ্যাসোসিয়েশন চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদার।