এদিন ইতালির সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে খেলেছে ইসরায়েল। এই ম্যাচে ইতালি ৫৪ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৭টি শট নিয়ে ৭টি পোস্টে রাখতে পেরেছে। অন্য দিকে ৪৬ শতাংশ বলের দখল রাখা ইসরায়েলের ১১টি শটের মধ্যে পোস্টে ছিল ৭টি। তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ হাসিটা হেসেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালিই।

হাঙ্গেরির দেব্রেসেনে ম্যাচের ১৬ মিনিটে ইতালি মিডফিল্ডার ম্যানুয়েল লোকাতেল্লির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ইসরায়েল। প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরান ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড ময়েস কিন। ৫২ মিনিটে আবার লিড নেয় ইসরায়েল। এবার গোল করেন মিডফিল্ডার দোর পেরেৎজ। যদিও এই লিড ২ মিনিটের বেশি ধরে রাখতে পারেনি তারা।

৮৭ মিনিটে ইতালির আলেসান্দ্রো বাস্তোনির আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় ইসরায়েল। এর ২ মিনিটের মাথায় পেরেৎজের দ্বিতীয় গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ইসরায়েল। কিন্তু নাটকীয়তা তখনও বাকি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে উত্তেজনা বাড়িয়ে গোল করেন ইতালি মিডফিল্ডার সান্দ্রো তোনালি। এই গোলই মূলত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫-৪ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইতালি।
এই জয়ে ৪ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে উঠে এসেছে ইতালি। ইসরায়েলের পয়েন্টও ইতালির সমান ৯। কিন্তু তারা একটি ম্যাচ বেশি খেলেছে। অন্য দিকে ৪ ম্যাচের ৪টিতেই জিতে শীর্ষে থাকা নরওয়ের পয়েন্ট ১২। এই গ্রুপে শুধু শীর্ষ দলই সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে। রানার্সআপদের লড়তে হবে প্লে-অফে। ফলে ইতালির ঝুঁকি এখনো কাটেনি।