দেশবিরোধী অপশক্তি বসে নেই উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, তার দোসর ও পরিকল্পনাকারীরা জনতার জাগরণের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে যে কোনও মুহূর্তে। ইতোমধ্যে চিন্তাশীল মানুষের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে।
‘চলমান আন্দোলনকে সহিংসতার রূপ দিয়ে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ পরিচালনা করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ভয়ংকর চাপের মুখে পড়বে বাংলাদেশ’ বলে মন্তব্য করে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ধৈর্য ও সহনশীলতার প্রমাণ পেয়েছে পৃথিবী। এতে হয়তো হতাশ হয়েছে দেশবিরোধী অপশক্তি। তবে হতাশ হলেও হাল ছাড়েনি তারা। আর তাই তীব্রভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে— চলমান আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে একটি সহিংস পরিবেশ তৈরি করা হবে। এজন্য এখন সর্বাগ্রে প্রয়োজন সচেতনতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।
তিনি বলেন, আমি দেশের আলেম-ওলামা, ইসলাম প্রিয় জনতাসহ সব দেশপ্রেমিক নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাই, কোনও অবস্থাতেই যেন সহিংসতা না ঘটে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়। পরিণামে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিপ্লব। ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবার সম্ভাবনা। ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ।
মজলিস আমির বলেন, আজ পবিত্র জুমাকে কেন্দ্র করেও অতিরিক্ত বিক্ষোভ কিংবা শোডাউনের কর্মসূচি কোনও দায়িত্বশীল মহলের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়নি। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কিংবা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস অথবা অন্য কোনও দায়িত্বশীল মহল চলমান সহিংস আন্দোলনের পক্ষে নয়। মামুনুল হক বলেন, দেশের সব বিক্ষুব্ধ জনতা ও দেশপ্রেমিক জনগণকে যেকোনও মূল্যে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি। দেশের জনগণের জান মালের নিরাপত্তা বিধান ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করা সব দেশপ্রেমিক জনগণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব।






