মান্না আরও বলেন, ‘আমরা সরকারের সমালোচনা করি, কিন্তু কাঠগড়ায় তুলি না৷ আমরা জানি, এ সরকার পরাজিত হলে আমরাও পরাজিত হবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এমন একটা বিভাজিত দেশ। নিজেদের মধ্যে ঐকমত্য বলতে কিছু নাই৷ এ পর্যন্ত সংস্কার প্রসঙ্গে যত আলোচনা হয়েছে, আমি একটা প্রসঙ্গে ঐকমত্য দেখতে পাচ্ছি, সেটা হলো প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমাতে হবে৷ এর বাইরে অন্য কোনও বিষয়ে ঐকমত্য দেখা যায়নি৷’
নির্বাচন প্রসঙ্গে মান্না বলেন, অনেকে দাবি করছেন, আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে, তার আগে ভোট হবে না৷ কিন্তু দেখা গেলো, বিচার করতে করতে ছয় বছর লেগে গেলো৷ তখন তো জনগণ মেনে নেবে না৷ তাই সবকিছু আবেগ দিয়ে, রাগ দিয়ে বিচার করলে হবে না।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি উসকানি দেন আর আপনি উসকান, আর এটা যদি প্রতি তিন মাস পরপর ঘটতে থাকে, তো আগামী তিন বছরেও তো ভোট করতে পারবেন না৷ ভোট করতে তো একটা পরিবেশ লাগবে৷ আপনি জিততে চান, কিন্তু ফ্যাসিবাদের ওপর রাগ দেখিয়ে কি জিততে পারবেন? লড়াই করে, রক্ত দিয়ে যে বিজয় আমরা অর্জন করেছি, তা বুদ্ধি-স্থিরতা তথা ধী শক্তি দিয়ে রক্ষা করতে হবে৷’
আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টির (রওশন) সাবেক নেতা গোলাম সারোয়ার মিলন, নিরাপদ সড়ক চাই-নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমিরুল করিমসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন৷






