তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রতের একটি প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন, আমি আমার বন্ধুর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতেই পারি। তবে অধিকাংশ মানুষ যাকে সমর্থন করবে, ভোট দেবে, তারাই বিজয়ী হবে। এটিই নির্বাচন। এজন্য আন্দোলন করেছে, এজন্য সংগ্রাম করেছে। এটি বলতে গিয়ে ইলয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ হাজারও মানুষ অদৃশ্য হয়েছে। কারণ তারা গণতন্ত্র চেয়েছে। তারা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চেয়েছে, কথা বলার স্বাধীনতা চেয়েছে, এ চাওয়াটাই তাদের অপরাধ হয়েছে। শেখ হাসিনা তাদের গুম করেছে। আরও কত যুবককে বিচারবহির্ভূত হত্যা করেছে। কারও লাশ নদীর ধারে, খালের ধারে ফেলে দিয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর কারাগারে রেখেছে। কাউকে আয়না ঘরে বন্দি করে রেখেছে। সব কিছুর মূলে ছিল গণতন্ত্র। আর গণতেন্ত্রর মূল উপাদান হচ্ছে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন। কিন্তু বাংলাদেশে গণতন্ত্রের খুব দুর্ভাগ্য। গণতন্ত্র নিজেই এক দুর্ভাগ্যের মধ্যে পড়েছে। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়েই যেন গড়িমসি।
প্রধান উপদেষ্টার জাপানে গিয়ে নির্বাচন নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গে প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি জাপানে গিয়ে বলে দিলেন একটি দল ছাড়া কেউ নির্বাচন চায় না। কিন্তু একটি দলের আয়তন কত, তার প্রশস্ত কতটুকু, তা কি তিনি জানেন না? অবশ্যই জানেন, ওই দলটার জনসমর্থন কতটুকু। তার মতো দায়িত্বশীল কী করে এসব কথা বলেন? এরপরও আপনি দেখেন কত রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চেয়েছে। তিনি আবারও ডিসেম্বরে নির্বাচনের দাবি জানান।
আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক জহির রায়হানের সভাপতিত্বে ও আফজাল হোসেনের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহুবুব ইসলাম, ডা. জাহিদুল কবির প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংগঠনের নেতা আরিফুর রহমান তুষার।






