নাহিদ বলেন, ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে সংস্কারের পথে বাধা সৃস্টি হচ্ছে। যারা এই সংস্কারের যাত্রাকে, গণ-অভ্যুত্থানকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে তাদেরকে বাংলাদেশের জনগণ ক্ষমা করবেনা। এ দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্র এবং পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটাতে হবে। এই তরুণ সমাজ বাংলাদেশের জনগণকে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। যে সংবিধান বাংলাদেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে।
মাওলানা ভাসানীর কথা স্মরণ করে নাহিদ বলেন, মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী রাজশাহী শহর থেকে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ করেছিলেন। যদি আমাদের নদীর হিস্যা, পানির হিস্যা, বর্ডারের হিস্যা বুঝে নিতে হয় তবে আমরা আবারও রাজশাহী শহর থেকে লংমার্চ করবো। নাহিদ বলেছেন, যারা জুলাইকে সংবিধানে জায়গা দিতে চায়না, আইনি কাঠামোতে জায়গা দিতে চায়না। তারা নিজেদেরকে মুজিববাদের পাহারাদার হিসেবে প্রমাণ করেছে ।
সমাবেশে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসাইন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডাক্তার তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম, মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বক্তব্য রাখেন।
পথসভায় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাতের অধিকার, শিক্ষার অধিকার, চিকিৎসার অধিকার এখনো সংবিধানে স্থান পায় নাই। এমন সংবিধান আমাদের প্রয়োজন নেই। একটি দলের কারণে ঐকমত্য কমিশনে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবনা আটকে যায়।