আর অধিনায়ক হিসেবে গিল তার দ্বিতীয় টেস্টেই ব্যাট হাতে একাধিক রেকর্ড গড়লেন। প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬১ রান। পান্ত মোমেন্টাম পাল্টে দেওয়া ফিফটি করেন। জাদেজার দুটি হাফ সেঞ্চুরি। সিরাজ প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেট নেন। ম্যাচে দশ উইকেট শিকার করেন আকাশ। শেষ দিকে এক ঘণ্টারও বেশি সময় বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়। তবে এক সেশনেরও বেশি সময় আগে ঠিকই ভারত তাদের প্রয়োজনীয় সাত উইকেট নেয়। তাতে হেডিংলির হারের দুঃখ ঘুচিয়ে দিলো এজবাস্টনে বিশাল জয়। সিরিজেও সমতা ফেরালো ১-১ এ।
স্মারক হিসেবে স্টাম্প নিলেন গিল
ইংল্যান্ডকে ৬০৮ রানের টার্গেট দিয়ে ভারত ২৭১ রানে স্বাগতিকদের অলআউট করেছে। তাতে বিদেশের মাটিতে রেকর্ড ৩৩৬ রানের জয় পেয়েছে তারা। ১৯ বারের চেষ্টায় এজবাস্টনে সফল হলো ভারত। আর ২৫ বছর ও ৩০১ দিন বয়সী গিল সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিদেশে টেস্ট জিতলেন। আগের রেকর্ডটি ছিল সুনীল গাভাস্কারের। ১৯৭৬ সালে অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ডকে হারায় ২৬ বছর ও ২০২ দিন বয়সী গাভাস্কারের ভারত।
তারপর বেন স্টোকস ও জেমি স্মিথের প্রতিরোধ। তাদের ৭০ রানের জুটি ভাঙে স্টোকসের (৩৩) বিদায়ে। ভারতের আগুন বোলিংয়ের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করে হাফ সেঞ্চুরি করেন স্মিথ। তিনি ইনিংস সেরা ৮৮ রানে আকাশের পঞ্চম শিকার হন। শোয়েব বশিরের সঙ্গে ব্রাইডন কার্স শেষ উইকেটে ২৫ রান তুলে থামেন। কার্সকে (৩৮) গিলের ক্যাচ বানিয়ে জয় নিশ্চিত করেন আকাশ।
২৬৯ ও ১৬১ রান করে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন গিল।
প্রথম ইনিংসে ভারত ৫৮৭ রান করার পর ইংল্যান্ডকে ৪০৭ রানে অলআউট করে। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা ৬ উইকেটে ৪২৭ রান করে ইংলিশদের বিশাল লক্ষ্য দেয়।







