রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক মানের ভোট করতে ৪ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

তিনি বলেন, আজ আমি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে  জানাতে এসেছি—ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি সহায়তা দেবে। যাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নির্বাচন আয়োজন করতে পারে। এটি একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক। আগামীতে এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবো আমরা।নির্বাচন কমিশনকে নানা ধরনের সহায়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন মাইকেল মিলার। তিনি জানান, ইইউ সরাসরি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা বৃদ্ধি, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়া, যেমন কার্যকরী পরিকল্পনা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
তিনি বলেন, আমাদের বাস্তবায়নকারী অংশীদার নির্বাচন বিশেষজ্ঞ—তারা এখানে থাকবেন, যাতে আসন্ন নির্বাচনে নাগরিক পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভোটার এডুকেশনও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন হিসেবে আমরা আমাদের অংশীদার বাংলাদেশ এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর, যাতে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারে।

ইইউ-এর এই রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাধীনতা, দক্ষতা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা; বাংলাদেশে আমাদের কাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো এখানেও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে একটি অগ্রাধিকারমূলক দেশ হিসেবে বিবেচনা করছে। পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।এসময় এক প্রশ্নের জবাবে মিলার জানান, নির্বাচন প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাজ।

তিনি বলেন, আমরা এখন আলোচনা করছি বাস্তবিক কিছু পদক্ষেপ নিয়ে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। আর এজন্যই আমরা এখানে এসেছি আমাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে। কারণ আমরা চাই আপনাদের নির্বাচন যেন সত্যিই গ্রহণযোগ্য হয়, আন্তর্জাতিক মানের হয়, অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। এসময় আগামী মাসে ইইউর প্রাক-নির্বাচনি পর্যবেক্ষক দল আসবে বলে জানিয়ে মিলার বলেন, আগামী মাসে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এটি পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন নয়। বরং বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে যাচাই করা, যে এখানে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানোর জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কিনা। আমরা সক্ষমতা ও বাস্তবতা যাচাই করছি।

অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিচ্ছি—ভোটার এডুকেশন, দেশীয় পর্যবেক্ষক সংগঠনগুলোকে মাঠপর্যায়ে কাজের সক্ষমতা দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করা এবং ছোট ছোট নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করা। পাশাপাশি ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।


এই বিভাগের আরো খবর