সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাজপথে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলবে, জনমত তৈরি করার চেষ্টা করবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তারা আন্দোলন-সংগ্রাম করবে। তার জন্য তো আমরা জীবন দিয়েছি। সেটার চর্চা থাকবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আমি গতকাল একটি অনুষ্ঠানে কিছু কথা বলেছিলাম, সেখানে ঠিক কি বলেছিলাম সেটি এখন আবার বলছি- গত শুক্রবার জুলাই জাতীয় সনদ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তার আগে কিছু বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার মাঠে। তার প্রেক্ষিতে আমাকে প্রশ্ন করা হলে আমি বলেছিলাম, জুলাই যোদ্ধা নামে একটি সংগঠন আমাদের সঙ্গেও কথা বলেছিল। ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গেও কথা বলেছিল, তাদের একটা যৌক্তিক দাবি ছিল। সেই যৌক্তিক দাবি পূরণের জন্য আমি নিজেও স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। সেটি কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রিয়াজ সঠিকভাবে গ্রহণ এবং সংশোধন করেছেন। এরপর তাদের অসন্তোষ থাকার কথা নয়। সেখানে যে সমস্ত বিশৃঙ্খলা হয়েছে আমরা খোঁজ নিয়েছি এবং তদন্তাধীন আছে। দেখা গেছে এখানে জুলাই যোদ্ধা নামে কিছু সংখ্যক ছাত্র নামধারী, যেটা আমি ইন্টারভিউতে দেখেছি, কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক ঢুকেছে। সেটা ফ্যাসিস্ট সরকারের ফ্যাসিস্ট বাহিনী বলে আমি মনে করি। এখন যে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় ফাঁক ফোকরে বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করছে সেটা গতকাল (শুক্রবার) দৃশ্যমান হয়েছে।
দেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বিষয়টি আপনারা কীভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমার মনে হয় এ বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে। কারণ বিষয়গুলো তদন্তাধীন আছে। সরকার সম্ভবত একটা তদন্ত টিম করেছে, তাদের তদন্তে কি আসে দেখা যাক। তবে, আমার মনে হয়, কিছু-কিছু ঘটনা একই সূত্রে গাথা। দেশে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য হয়ত এগুলো করে থাকতে পারে কোনো-কোনো গোষ্ঠী। তার সঙ্গে হয়ত পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা এবং পতিত ফ্যাসিবাদ জড়িত থাকতে পারে। তবে, সেটা তদন্ত করার আগে বলা যাবে না।
জুলাই গণঅভুত্থানে বিএনপির ৪২২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সালাহ উদ্দিন।জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের সময় নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কিছু প্রস্তাব আছে বলে উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন বলেন, কিন্তু পরবর্তী সংসদ যেন জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করতে বাধ্য থাকে তার জন্য গণভোটের প্রস্তাব আমরা করেছি।