তিনি বলেন, ‘সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এসব পরিবারের পাশে থাকার। যে অপূরণীয় ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ও এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ এবং ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।’
তিনি বলেন, ‘আজকে যারা আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছে, তা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন জানেন। আমাদের উচিত হবে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা, সেই মানুষগুলোকে আল্লাহ যাতে সর্বোচ্চ ভালো অবস্থায় রাখে।’
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মদানকারীদের কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা এবং জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল-এই সরকার তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। হয়তো বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সবকিছু সম্ভব হয় না, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে সরকারের কাজের মূল প্রেরণা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলতে পারেন সরকার এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু আমি বলব- আপনাদের এই ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতার কারণেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস পাচ্ছে। আপনারাই আমাদের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস।’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির, বিএনপি আমার পরিবারের সদস্য মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।







