শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

আল-কায়েদার ঘাঁটি নিয়ে এখনই মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আল-কায়েদার ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা চলছে—এমন একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, ‘প্রতিবেদনটি তিনি এখনও পড়েননি। শুধু অনুমানের ভিত্তিতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।’সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিষয়টি সরকার আমলে নিয়েছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো আমলে নিচ্ছি না। রিপোর্টও এখনও পড়িনি। এ ছাড়া আমি যতটুকু পত্রিকান্তরে শুনেছি, সেখানে বলা হয়েছে যে তারা এটা অনুমান করেছে যে এরকম হতে পারে। অনুমান নিয়ে কোনও রিপোর্টের ওপর আমরা অ্যাকশন নিতে পারি না।’

এদিকে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি সংকলন করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ের ধর্মীয় ব্যক্তিদের অনুদান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয় অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদ ও সংস্কৃতিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।’

খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  ‘এ ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা প্রায় বাস্তবায়িত হয়েছে। জাতীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং খাদ্য নিরাপত্তার ভিত্তি তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের যে অগ্রগতি ১৮০ দিনের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি, সেগুলো কম্পাইল করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেকশন থেকে অথবা একটা কম্পাইল করে মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করবো আশা করি।’

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আল-কায়েদা ও আইএসবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ায় আল-কায়েদার কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা বাংলাদেশে ছোট ও গোপন সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল-কায়েদার কোনও সক্রিয় ঘাঁটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনের এই পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর