তিনি বলেন, দলীয় অবস্থান থেকে সরে এসে রাজনৈতিক দলগুলো একটি জায়গায় আসার জন্য সচেষ্ট হয়েছে।ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি বলেন, এ বিষয়ে ইতোপূর্বে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এখন অনেকে এ বিষয়ে কিছুটা সরে আসছেন। এজন্য দলগুলোকে ধন্যবাদ। আশা করি, একটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জমা দিতে পারব। প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি আমরা ১৫ অক্টোবরের মধ্যে একটি মীমাংসায় আসতে পারব।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার বিষয়ে তিন-চতুর্থাংশ দলের কাছে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। অনেকে নাম দিয়েছেন। অনেকে এখনো দেননি। দ্রুত নাম দিতে তিনি দলগুলোকে অনুরোধ করেন।ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি আরও জানান, দু’একদিনের মধ্যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আবারও বৈঠকে বসবে কমিশন।বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি, আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।