এ সময় অবিলম্বে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ইশতেহারকে আমরা সমর্থন করি। তবে ১৯৪৭ সালের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ও ডা. মিলনের আত্মত্যাগ, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে রাখা, গত ১৬ বছর বিএনপির আত্মত্যাগের কথা ইশতেহারে লিখতে হবে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তাদের কিছু কিছু কার্যক্রমে জনগণ দ্বিমত পোষণ করছে। গত ১৬ বছর মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা ছিল না, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিল না, গণতন্ত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বললেও মামলা দেওয়া হয়েছে, দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ করলেও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাই ১৬ বছরের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কথায় কর্ণপাত না করে জুলাই বিপ্লবের কথা বললে গণঅভ্যুত্থান ফলপ্রসূ হবে না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে সভায় আরও ছিলেন– বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, কর্মজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।







