
প্রথম গেমে অনেকটা একপেশে লড়াইয়ের পর ৬-৩ সেটে জেতেন সাবালেঙ্কা। তবে দ্বিতীয় গেমের তার কাজটা কঠিন করে তোলেন আনিসিমোভা। অবশ্য নম্বর ওয়ান তারকা সরাসরি জিততে না পারলেও ঘুরে দাঁড়িয়ে টাইব্রেকারে জয় আদায় করে নেন। চলতি মৌসুমে এর আগের ১৮টি টাইব্রেকার খেলে সবগুলোয় জিতেছেন সাবালেঙ্কা। ফলে টাইব্রেকারে তার সামনে আনিসিমোভার দাঁড়ানো সহজ ছিল না। সেটাই দেখা গেল। চোখের পলকে ৫-১ এগিয়ে গেলেন সাবালেঙ্কা। সেখান থেকে আর ফেরা সম্ভব ছিল না আনিসিমোভার।
চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোর্টে হাঁটু মুড়ে বসে কেঁদে ফেলেন সাবালেঙ্কা। চুপ করে চেয়ারে বসে কাঁদলেন আনিসিমোভাও। খেলা শেষে অবশ্য ফ্লাশিং মিডোর গ্যালারির সাড়ে ২৩ হাজারের বেশি দর্শক উঠে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানালেন সাবালেঙ্কাকে। পরে প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘আমি আগের দুটি ফাইনালে আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলাম। এবারও সেরকম কিছু ঘটুক তা চাইনি। কিছু মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ হারানোর কাছাকাছি গেলেও শান্ত থাকতে পেরেছি।’