সংস্কারের বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আজ অনেকেই সংস্কারের ভালো ভালো কথা বলছেন, বলতেই পারেন। কেননা আপনারা দেশ ও দেশের কল্যাণ নিয়ে ভাবছেন। কিন্তু বিএনপির সঙ্গে তাদের পার্থক্য হচ্ছে- অন্যরা আজ যে সংস্কারের কথা বলছেন, বিএনপি সেই সংস্কারের কথা আজ থেকে আড়াই বছর আগে ৩১ দফার মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করেছে। স্বৈরাচার যখন বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শত শত নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষকে গুম-খুনের মাধ্যমে অস্ত্রের জোরে ক্ষমতায় আঁকড়ে ধরে রেখেছিল, সেই সময় তাদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে তাদের বলেছে, তোমরা দেশকে ধ্বংস করেছো, আমরা দেশকে পুনর্গঠন করবো। আজ অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে সংস্কারের সুন্দর সুন্দর কথা শোনা গেলেও সেদিন তাদের কাছ থেকে সংস্কারের কোনও কথা শুনতে পাইনি।’
অনেকেই বলছেন ক্ষমতার ভারসাম্য ও রাজনীতির গুণগতমান প্রতিষ্ঠা করার কথা- উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘এগুলো অবশ্যই প্রয়োজন আছে। আপনাদের বলি- আজ যশোর বিএনপির সম্মেলন হচ্ছে। শুধু যশোর নয়, রাজনীতির গুণগতমান পরিবর্তনে বিএনপি গোটা দেশে সেই পরিবর্তন আনার জন্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।’
বিএনপি একটি বিশাল দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সম্মেলনে ১৬১৬ জন কাউন্সিলর, এদের মধ্যে এমন কাউকে পাওয়া যাবে না যাদের বিরুদ্ধে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেয়নি। দলের ৬০ লাখ নেতাকর্মীর নামে ওইরকম মিথ্যা ও গায়েবি মামলা রয়েছে।’জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপরসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে দলের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, অমলেন্দু দাস অপু, সাবেক দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি, কেন্দ্রীয় সদস্য টি এস আইয়ুব, আবুল হোসেন আজাদ, সাবিরা নাজমুল মুন্নিসহ দলের বিভিন্ন উপজেলা কমিটির নেতা, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন।






