সালাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা মব কালচারে বিশ্বাস করি না। আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম সংগ্রাম করে যাচ্ছি। আমরা চাই, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আদালতের রায় বাস্তবায়ন হবে, বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকবে।
তিনি বলেন, কেএম নূরুল হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তার গ্রেফতার প্রক্রিয়া এবং বিচার প্রক্রিয়া আইনগতভাবে যথাযথভাবে পরিচালিত হবে এটা আমরা প্রত্যাশা করি। তবে তার ওপরে যে অবমাননাকর ব্যবহার করা হয়েছে এটা আমরা সমর্থন করি না। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। যদি বিএনপির কোনও নেতাকর্মী এই ঘটনায় জড়িত থাকে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ডিসিপ্লেনারি অ্যাকশন (শৃঙ্খলাবিরোধী ব্যবস্থা) আমরা নেবো… এটা আমাদের অবস্থান।
বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা চাই, কোনও ব্যক্তি যত বড় অপরাধীই হোন না কেন, তার আইনি এবং সাংবিধানিক অধিকার যেন ভোগের অধিকার অক্ষুণ্ন থাকে। যত বড় অপরাধীই হোন না কেন, তার আইনি ও সাংবিধানিক অধিকার যেন ক্ষুণ্ন না হয়।
কেএম নূরুল হুদার দলীয়করণের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য এবং নির্বাচনি ব্যবস্থাকে পুরোপুরি বিনষ্ট করে দেওয়ার জন্য যে কজন ব্যক্তি দায়ী তার মধ্যে কেএম নূরুল হুদা অন্যতম। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনকে দীর্ঘায়িত করার জন্য কয়েকটি রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে পুরোপুরি কুলষিত এবং ধ্বংস করার জন্য আরও কয়েকজন ব্যক্তি দায়ী। যেমন-সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক.. তবে আমরা কখনই সেই অপসংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি না, আমরা মব কালচারে বিশ্বাস করি না।
রবিবার (২২ জুন) রাতে রাজধানীর উত্তরায় জনতার হাতে আটক হন কে এম নূরুল হুদা। তাকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়।






