তানভীর সিরাজ বলেন, ‘অপরাধী চক্রের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম প্রকৃত ঘটনা না জেনেই সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় ফেসবুকে বিএনপিকে জড়িয়ে নানা অপপ্রচার চালিয়েছেন, যা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। ইতোমধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটনসহ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। যেখানে রাজনৈতিক কোনও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাই দলের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি বাদী হয়ে মামলাটি রুজু করেছি। আশা করি, ন্যায়বিচার পাবো।’
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২- এর বিচারক আলমগীর আল মামুনের বেঞ্চে মামলাটির আবেদন করা হয়। পরে শুনানি শেষে মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।’






