তিনি আরও বলেছেন, “একই সময়ে (নভেম্বরে) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্বাচন হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির জন্য এটি ইরানের জন্য বড় একটি সুযোগ। বিশেষ করে তারা জানে, মার্কিন ভোটাররা পেট্রোলের দাম নিয়ে অনেক বেশি স্পর্শকাতর। যেমনটা আরব ভোটাররা রুটির দামের ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর।”
বর্তমানে ইরান ও মার্কিনিদের মধ্যে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। কিন্তু মধ্যস্থতকারী দেশগুলো এগিয়ে এলে এটির সমাধান হতে পারে উল্লেখ করে সাবেক এ দূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে কূটনৈতিক অচলাবস্থা রয়েছে। ফলে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার জন্য চমকপ্রদ কিছু একটা প্রয়োজন।






