ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক জোরদার করতে সবপর্যায়ে সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সাক্ষাতে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। এসময় লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান হাইকমিশনার।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে পারে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আর এটিই ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। এ সময় বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।
এর আগে স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় হয়। বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিভিন্ন সময়ে নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।
স্পিকার উল্লেখ করেন, আগে কেবল সরকারকেন্দ্রিক সম্পর্ক থাকলেও এখন থেকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখে ‘জনগণকেন্দ্রিক’ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। স্পিকারের বক্তব্যের জবাবে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীও সমর্থন প্রকাশ করে বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক নির্মাণেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।








