যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা ও ইসরায়েলি এক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ইসরায়েলের নির্বাচনের আগেই ইরানে একটি যৌথ সামরিক হামলার জন্য ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করেন নেতানিয়াহু। তবে ট্রাম্পের প্রশাসন প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত যেকোনও সম্ভাব্য পদক্ষেপ পিছিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহেও হামলার সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রকে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়েছিল ইসরায়েল। মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তারা ইসরায়েলকে অপেক্ষা করতে বললেও খুব শিগগিরই যৌথ অভিযানে সম্মত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
অবশ্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর কার্যালয় এ প্রতিবেদনকে ‘ফেক নিউজ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের ঠিক আগে দ্রুত ইরানের সঙ্গে সংঘাত তৈরি করতে পারে, নেতানিয়াহুর দেওয়া এমন একটি অনুল্লেখিত সামরিক নির্দেশ নিয়ে সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামিরের সঙ্গে তার তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। নেতানিয়াহু এই খবরটি অস্বীকার করেছেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের তৎক্ষণাৎ হামলায় সম্মতি না দেওয়ার অন্যতম কারণ সেনাপ্রধান জামিরের দেওয়া একটি সতর্কবার্তা। তিনি ইঙ্গিত দেন, এই মুহূর্তে হামলা চালালে ইসরায়েলের নেসেট নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঝুঁকি এবং ইরান ও ইয়েমেনের হুথিদের সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের মুখে মার্কিন সহায়তার তীব্র প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের অনুরোধ মেনে নেয় ইসরায়েল।







