টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ১৮৯ রান পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়।
সেই অবস্থায় তাওহীদ হৃদয় হাল ধরার চেষ্টা করেন। শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৩ রান। অ্যারন হার্ডির করা ওভারে একটি ছক্কা ও একটি চার মেরে সমীকরণ অনেকটাই কমিয়ে আনেন হৃদয়। কিন্তু শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলে বাংলাদেশের আশা শেষ হয়ে যায়। ২২ বলে ৩৫ রান করে আউট হন তিনি। ফলে ১৮৯ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
বাংলাদেশ শুরুতে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছিল। নাসুম আহমেদের বলে এলবিডব্লিউ হন জশ ইংলিস। এরপর নাহিদ রানার শিকার হন কুপার কনোলি। মোস্তাফিজুর রহমান ফেরান অধিনায়ক মিচেল মার্শকে। তবে রেনশ ও ডেভিডের পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় সফরকারীরা। শেষ দিকে রেনশর ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ১৯৬ রানে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। নাহিদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান ও আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটের জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।







