ইয়েমেন বর্তমানে দুই ভাগে বিভক্ত। এক ভাগ হুতিদের নিয়ন্ত্রণে। আরেকটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। যাদের জাতিসংঘ ও সৌদি আরব সহায়তা করে থাকে। এ সহায়তার লক্ষ্য হলো হুতিদের থেকে ইয়েমেনের বাকি অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। ২০১৪ সালে হুতিরা অভিযান শুরু করে। এরপর দেশটিতে বাধে গৃহযুদ্ধ। এ গৃহযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
আলজাজিরার এ সাংবাদিক আরও বলেছেন, “সামরিক দিক দিয়ে বললে হুতিরা এগিয়ে আছে। তাদের কাছে আছে ব্যালিস্টিক মিসাইল। তাদের মোখা বন্দরকে টার্গেট করার সক্ষমতা আছে। হুতিরা দাবি করছে মোখার আশপাশে ইয়েমেনি বাহিনী কমান্ড সেন্টার এবং সৌদির তৈরি করা অস্ত্রাগারে হামলা চালাচ্ছে।”
সতর্কতা দিয়ে তিনি বলেছেন, “বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যদি এখনই উত্তেজনা প্রশমিত না করা হয় তাহলে আগামী কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইয়েমেনে পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধ শুরু হতে পারে।”







