টক দই: নীলম কোঠারি প্রথমে টক দই দিয়ে শুরু করেন। তার মতে, এটি ত্বকে হালকা প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা এনে দেয়। এরপর তিনি এতে যোগ করেন এক চিমটি হলুদ।
নীলমের মতে, খুব অল্প পরিমাণে ব্যবহার করলে ফিটকিরি পিগমেন্টেশন ও ফ্রেকলস (ছোপ দাগ) কমাতে সহায়ক হতে পারে।
অ্যালোভেরা জেল: এরপর তিনি সামান্য গ্লিসারিন এবং তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নেন। তাজা অ্যালোভেরাকে তিনি ‘বিশেষ’ বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, এটি ফেস মাস্কের পুষ্টিকর বেসকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
কফি: একটি উপাদান অনেকের কাছেই কিছুটা বিস্ময়কর মনে হতে পারে, তা হলো কফি। এ প্রসঙ্গে নীলম কোঠারি বলেন, ‘‘আমি জানি এটি একটু অদ্ভুত শোনায়, কিন্তু ফেস মাস্কে সামান্য কফি মেশানো ভালো। এতে ক্যাফেইন থাকে, যা মুখের ফোলাভাব কমাতে এবং ত্বককে কিছুটা টানটান দেখাতে সাহায্য করে।’’
তবে তিনি পরামর্শ দেন, কফি মেশানো এই মাস্কটি চোখের নিচের অংশে লাগানো উচিত নয়।
সবশেষে তিনি সামান্য গোলাপজল যোগ করে সব উপাদান ভালোভাবে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করেন।
নীলম কীভাবে এই ফেস মাস্ক ব্যবহার করেন
নীলম কোঠারির মতে, এই ফেস মাস্কটি তার সাপ্তাহিক বন্ধের স্কিনকেয়ার রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঘন পেস্ট তৈরি করার পর তিনি এটি পুরো মুখে সমানভাবে লাগান এবং প্রায় ২০ মিনিট রেখে দেন। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলেন।
মাস্কটি লাগানোর সময় তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বাস করুন, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, পিগমেন্টেশন কমাতে এবং শীতল অনুভূতি দিতে এটি সত্যিই খুব, খুব ভালো।’’
যদিও এই ফেস মাস্কের উপাদানগুলো সহজেই বাড়িতে পাওয়া যায়, তবুও মনে রাখা জরুরি যে প্রত্যেকের ত্বক ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করলে ফিটকিরি ও হলুদ সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালা বা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই যেকোনো ধরনের ঘরোয়া ফেস প্যাক ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া সবসময়ই ভালো।







