তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার অ্যাজেন্ডা আমাদের স্পষ্ট জানা রয়েছে। তারা পৃথিবীর দেশে দেশে নির্লজ্জ অশালীনতা, মানবাধিকারের নামে সমকামিতার মতো অভিশাপকে চাপিয়ে দেয়। আমরা স্পষ্ট বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের ধর্মীয় অনুভূতিকে যদি আঘাত দেওয়া হয় এবং সমকামিতাকে বাস্তবায়ন করা হয় তাহলে গোটা বাংলাদেশ কারবালার প্রান্তরে পরিণত হবে।’
মামুনুল হক বলেন, ‘প্রিয় সাথীগণ। ১৯০৫ সালে, ১৯৪৭ সালে, ১৯৭১ সালে বারবার আমরা জীবন দিয়ে রক্ত দিয়ে বিজয় অর্জন করেছি। কিন্তু আমাদের বিজয়কে বারবার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ছিনতাই করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি বিগত ১৫ বছর বাকশালী ফ্যাসিবাদের নতুন রূপ, নতুন আওয়ামী জাহেলিয়াত। লেডি ফেরাউন নামে খ্যাত শেখ হাসিনা তার জুলুম এবং নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে নিষ্পেষিত করেছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি করেছে। এ দেশের মানুষের ভাগ্য, অর্থনীতির ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে দিল্লি থেকে। গুম-খুন এবং হত্যাকাণ্ডের স্বর্গরাজ্য হয়েছিল বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ের মাধ্যমে এ দেশের ছাত্র-জনতা শেখ হাসিনার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাণিজ্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বারবার আমরা বিজয় অর্জন করেছি। আমাদের পূর্বপুরুষেরা রক্ত দিয়েছেন। আর ষড়যন্তকারীরা ষড়যন্ত্রের ডানা মেলে আমাদের বিজয়কে ছিনতাই করেছে। আমরা একবার পিন্ডির গোলামির জিঞ্জির ছিন্ন করেছিলাম। আমাদেরকে নতুন করে দিল্লির দাসে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০২৪ সালে আমরা দিল্লির গোলামির শিকল ভেঙে খান খান করেছি।’
অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে খেলাফত মজলিস নেতা বলেন, ‘আমি বর্তমান সরকারের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাতে চাই, এ দেশের মানুষ আপনাদেরকে অনেক সম্মান দিয়েছে, অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। মানুষের ধসে পড়া অর্থনৈতিক ভিত নতুন করে গঠন করুন। বিগত রেজিমের পাচার করা লক্ষ লক্ষ ডলার ফিরিয়ে এনে দেশের মানুষের কল্যাণে বিনোয়োগ করার চেষ্টা করুন। বিগত দিনের অ্যাজেন্ডা বাতিল করুন। বাংলাদেশের মানুষ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করুন।’
সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি মুফতি ইব্রাহিম খলিল নোমানীর সভাপতিত্বে সমাবেশে দলটির কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।






