চিঠিতে ইসি জানায়, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি’ নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল, যা প্রাথমিক পর্যালোচনায় গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। দলটির আবেদনপত্রে পছন্দের প্রতীকের ক্রমানুযায়ী শাপলা, কলম ও মোবাইল উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি ৯(১) অনুযায়ী প্রার্থীর অনুকূলে বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা’ প্রতীকটি বর্তমানে অন্তর্ভুক্ত নেই। এ অবস্থায়, দলটিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৯০৮ (১) (খ)-এর বিধান সম্পর্কে জানানো হয়। ওই বিধান অনুযায়ী, কোনো দল কর্তৃক মনোনীত সব প্রার্থীর জন্য নির্ধারিত প্রতীক থেকে পছন্দ হওয়া যে কোনো একটি প্রতীক বরাদ্দ করা হবে এবং এইভাবে বরাদ্দ হওয়া প্রতীক দলটির জন্য সংরক্ষিত থাকবে। যদি না দলটি পরবর্তীতে অন্য কোনো প্রতীক লাভে ইচ্ছা প্রকাশ করে।
এ বিষয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, ‘ইসির কাছ থেকে নিবন্ধন সংক্রান্ত চিঠি আমরা পেয়েছি। সেখানে আমাদের জন্য আলমিরা, উটপাখি, কাপ-পিরিচ, থালাবাটি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এগুলো খুবই হাস্যকর। ইসি আমাদের সঙ্গে স্বেচ্ছাচারী ও বৈষম্যমূলক আচরণ করছে।’ ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের নির্বাচনী প্রতীকের বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।