ভারতীয় ধ্রুপদী কণ্ঠশিল্পী এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত ফাইয়াজ ওয়াসিফউদ্দিন ডাগর ২০২৩ সালে মামলাটি দায়ের করেন।ডাগর তখন অভিযোগ করেছিলেন যে, ‘বীরা রাজা বীরা’ তার বাবা নাসির ফৈয়াজউদ্দিন ডাগর এবং কাকা জহিরউদ্দিন ডাগরের রচনা ‘শিবা স্তুতি’র সুর থেকে নেওয়া।তিনি গানটির ব্যবহার বন্ধ করার জন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সেইসাথে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
মামলার বিচারপতি প্রতিভা এম সিং পর্যবেক্ষণ করে মত দেন যে, ‘শিবা স্তুতি’ কেবল ‘বীর রাজা বীর’-কে অনুপ্রাণিত করেনি, বরং ছোটখাটো পরিবর্তন সত্ত্বেও এর সাথে ‘অভিন্ন’ ছিল।
তবে এ আর রাহমান এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি যুক্তি দেন যে, ‘শিবা স্তুতি’ হিন্দুস্তানি ধ্রুপদী সঙ্গীতের ধ্রুপদ ধারার মধ্যে অন্যতম যা জনসাধারণের কাছে একটি ঐতিহ্যবাহী রচনা। অন্যদিকে, ‘বীরা রাজা বীরা’ একটি মৌলিক কাজ। যেখানে ২২৭টি স্বতন্ত্র স্তরসহ পশ্চিমা সঙ্গীত উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।







